দিনভর প্রেরণাদীপ্ত উৎসবে প্রকাশিত হলো জাগরণের গান-২

Filed under: গ্যালারি,ফিচার |

গানের সঙ্গে বাঙালির প্রাণের সংযোগ। প্রায় ২০০ বছর আগে প্রথম বাংলা নাটকের রচয়িতা গেরাসিম লেবেদেফ বাঙালির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের উল্লেখ করতে গিয়ে বলেছিলেন, বাঙালি গান ভালোবাসে। এই সংযোগ, এই ভালোবাসা কেবল আনন্দ-আস্বাদন থেকে নয়, গানের মধ্যে বাঙালি প্রকাশ করেছে দুঃখ-বেদনার অনুভূতি, গভীর ভাবনা, ক্রোধ-ক্ষোভ, প্রতিরোধ-প্রতিবাদের কথাও। সুখের দিনে গান হয়েছে বাঙালির আনন্দের অনুষঙ্গ, তেমনি সংকটকালে প্রেরণা ও সাহসের অফুরান উৎস।
দীর্ঘকালের সংগ্রামের প্রত্যয় ও উদ্দীপনায় ভাস্বর গানগুলো একত্র করে নতুন দিনের, নতুন প্রজন্মের বাঙালির কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে জাগরণ সংস্কৃতি চর্চা ও গবেষণা কেন্দ্র। জাগরণের গান শিরোনামে ২০০৯ সালের ১২ ডিসেম্বর কালজয়ী ৭১টি গণসংগীত ও দেশাত্মবোধক গানের প্রথম অ্যালবাম প্রকাশ করে এই গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি। প্রকাশের পরই দেশ-বিদেশে বিপুল সাড়া জাগানো এই উদ্যোগের প্রেরণায় আরও উৎসাহিত হয়েছে জাগরণ সংস্কৃতি চর্চা ও গবেষণা কেন্দ্র, অনুপ্রাণিত হয়েছে পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান বাংলালিংক; ব্যবস্থাপনা সহযোগী স্টেপ মিডিয়া এবং প্রচার সহযোগী প্রথম আলো, চ্যানেল আই, এবিসি রেডিও।
সেই ধারাবাহিকতায় বিজয়ের মাস ডিসেম্বরের ১০ তারিখ প্রকাশিত হলো তাদের জাগরণের গান-২ নামের নতুন অ্যালবাম। ২০০৯ সালের অভিজ্ঞতার প্রতিফলন দেখা গেছে সব আয়োজনে, সব পরিবেশনায়। এই অ্যালবামের ছয়টি অডিও সিডিতে ধারণ করা হয়েছে ১০১টি গণসংগীত, এর মধ্যে ৭১টি নতুন আর ৩০টি শ্রোতাদের অনুরোধে পুরোনো অ্যালবাম থেকে নেওয়া হয়েছে। সুদৃশ্য মোড়কে আবৃত এই সিডি বাক্সে এবারও রয়েছে একটি বই, যে বইয়ে অ্যালবামে অন্তর্ভুক্ত প্রতিটি গানের কথা, গীতিকার ও সুরকারের নাম, গান রচনার প্রেক্ষাপট ও সময়কাল লিপিবদ্ধ রয়েছে।
শীতের কুয়াশামাখা রোদেলা সকালে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের শিখা চিরন্তনের পাশে স্টেপ মিডিয়ার চিফ আর্কিটেক্ট মারুফ আলমের নকশায় ও তত্ত্বাবধানে নির্মিত দৃষ্টিনন্দন অস্থায়ী মুক্তমঞ্চ ও উৎসবসাজে সজ্জিত উদ্যান মুখর হয়ে ওঠে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী, খুদে আঁকিয়ে, জাগরণের গানে কণ্ঠ দেওয়া দুই বাংলার শিল্পী, গণসংগীতপ্রেমী শত শত মানুষের পদচারণে।
মঞ্চের সামনে খোলা চত্বরে মাদুর পেতে রোদে পিঠ দিয়ে এক ঝাঁক খুদে আঁকিয়ের ছবি আঁকার প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিষয় ছিল ‘মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ’। অভিভাবক আর দর্শকেরা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিলেন উদ্যানময়। ১০টায় জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হলে মঞ্চের সামনে নানা বয়সী মানুষ কণ্ঠ মেলায় জাতীয় সঙ্গীতে—‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’।
শুরুতে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী, গীতিকার, সুরকার ও কলাকুশলীদের সম্মাননা জানানো হয়। জাগরণের শিল্পীরা তাঁদের উত্তরীয় পরিয়ে দেন এবং হাতে তুলে দেন নতুন অ্যালবাম। তাঁদের মধ্যে ছিলেন শিল্পী অজিত রায়, কামাল লোহানী, রেজাউল করিম চৌধুরী, জাহিদ হোসেন প্রধান, সুবল দত্ত, আরতি ধর, ফকির আলমগীর, অরূপ রতন চৌধুরী, অমিতা বসু, লমিতা ঘোষ, আবু নওশের, শেখ জমিরউদ্দীন, কামাল উদ্দীন আহমেদ, শীল ভদ্র, মঞ্জুলা দাসগুপ্তা, মনোরঞ্জন ঘোষাল, মনোয়ার হোসেন খান, আ ম শরফুজ্জামান, রাশিদুল হোসেন, চাঁদ প্রবাসী, মাজহারুল ইসলাম, শেখ উবায়দুল বিন জালালাবাদী, পরিতোষ কুমার সাহা, তপন মাহমুদ, আখতার হুসেন, বুলবুল মহলানবীশ, নাসিরুল কাদির চৌধুরী ও মামুনুর রশীদ। এই পর্বে অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ছিলেন ম হামিদ। ‘তারুণ্যের প্রাণে আরেকবার জেগে উঠুক বিজয়ের প্রেরণা’ শীর্ষক আয়োজনে স্বাগত বক্তৃতা করেন জাগরণের সভাপতি অধ্যাপক আবদুল খালেক। তিনি বলেন, ‘শিখা চিরন্তনের পাশে আজ আমরা সমবেত। এই মাঠ থেকেই ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর সাতই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণে স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন।’ বিজয়ের মাসে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। জাগরণ সংস্কৃতি চর্চা ও গবেষণা কেন্দ্র অসুস্থ শিল্পী অজিত রায় ও বিপুল ভট্টাচার্য্যের চিকিৎসার জন্য ৫০ হাজার টাকা করে প্রদান করবে বলে সভাপতি ঘোষণা করেন।
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী-কুশলীদের পক্ষ থেকে গণসংগীত সংগঠক ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর মহাব্যবস্থাপক কামাল লোহানী বক্তৃতা করেন। তিনি বলেন, দুঃশাসনের নাগপাশ থেকে মুক্তির সংগ্রামে এই গানগুলো জাতিকে উদ্বেলিত করেছিল। রাজনৈতিক সংগ্রামের পটভূমি তৈরিতেও এসব গানের অবদান অনস্বীকার্য। তিনি জাগরণের এই উদ্যোগকে মহতী প্রয়াস হিসেবে উল্লেখ করে এর সফলতা কামনা করেন।
উপস্থিত প্রবীণ শিল্পীদের সঙ্গে নিয়ে জাগরণের গান-২ অ্যালবামের মোড়ক উন্মোচন করেন তথ্য ও সংস্কৃতিমন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ। এ সময় তাঁদের সঙ্গে ছিলেন জাগরণের সভাপতি আবদুল খালেক, বাংলালিংকের পরিচালক, বিপণন শিহাব আহমাদ ও চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর।
এরপর ছিল জাগরণের শিল্পীদের সমবেত কণ্ঠে পরিবেশিত ‘ধনধান্য পুষ্পভরা…’ গানের সঙ্গে নৃত্য। আলোচনার ফাঁকে ফাঁকে সঞ্চালক অতীত সংগ্রামে গণসংগীতের ভূমিকা ও গণসংগীতের ইতিহাস তুলে ধরেন। চর্যাপদের যুগ থেকেই দেশের প্রতি ভালোবাসার কথা বাঙালি প্রকাশ করে এসেছে গানে। কিন্তু অন্যায়-অবিচারের প্রতিবাদ-প্রতিরোধের হাতিয়ার হিসেবে গান এসেছে উনিশ শতক থেকে। কুড়ি শতকে সেই গান আরও শাণিত হয়েছে। যুদ্ধে অস্ত্র ও গণসংগীত অনেকটাই হয়ে উঠেছিল পরস্পরের সম্পূরক। মুকুন্দ দাস, জ্যোতিন্দ্র মৈত্র, হেমাঙ্গ বিশ্বাস, সলিল চৌধুরী, আবদুল লতিফ, শেখ লুৎফর রহমান, আলতাফ মাহমুদ প্রমুখের গান বাঙালিকে উদ্বুদ্ধ করেছে অধিকার বুঝে নেওয়ার লড়াকু সংগ্রামে। আলোচনার ফাঁকে ফাঁকে ছিল নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের কণ্ঠে সেসব গান।
শিহাব আহমাদ বলেন, স্বাধীনতা অর্জনের পর বাঙালি এখন অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য সংগ্রাম করছে। এই গানগুলো সেই সংগ্রামে নতুন প্রজন্মকে প্রেরণা জোগাবে। বাংলালিংক এই উদ্যোগের সঙ্গে থাকতে পেরে গর্বিত। এরপর আবার সমবেত কণ্ঠের ‘বিজয় নিশান উড়ছে ঐ, খুশির হাওয়ায় উড়ছে বাংলার ঘরে ঘরে’ গানের সঙ্গে একঝাঁক শিশু-কিশোর হাতে লাল-সবুজ পতাকা নাড়িয়ে মঞ্চে সমবেত হলে আবেগময় পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর বলেন, জাগরণের গান সব শ্রেণীর মানুষকে ব্যাপকভাবে জাগরিত করেছে। প্রথম অ্যালবামের বিপুল সাফল্যই তার প্রমাণ। এই নতুন অ্যালবামটিও শ্রোতাদের আলোড়িত করবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। উদ্বোধনী পর্বের প্রধান অতিথি তথ্য ও সংস্কৃতিমন্ত্রী অ্যালবামের মোড়ক উন্মোচন করার সময় শত শত রঙিন বেলুন আকাশে ছেড়ে দেওয়া হয়। বিন্দু বিন্দু রঙের ফোঁটা হয়ে সেগুলো ভেসে থাকে আকাশে।
আবুল কালাম আজাদ বললেন, এই গান নতুন দিনের বাঙালিকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানাতে সহায়ক হবে। তিনি এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান। তাঁর বক্তব্যের মধ্য দিয়ে শেষ হয় প্রথম পর্ব।
এরপর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। নতুন অ্যালবামের গান পরিবেশন করেন জাগরণের শিল্পীরা। গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করেন স্পন্দন ও নৃত্যমের নৃত্যশিল্পীরা। বিশিষ্ট শিল্পীরা পরিবেশন করেন একক সংগীত ও আবৃত্তি। শেষে ছিল নাটক। ‘এ কি অপরূপ রূপে মা তোমার’ গানের সঙ্গে নৃত্য দিয়ে গান পর্বের শুরু। সমবেত গানগুলোর মধ্যে ছিল ‘শিল্পী সংগ্রামী পল রবসন’, ‘অধিকার কে কাকে দেয়’, ‘যায় যদি যাক প্রাণ তবু দেব না গোলার ধান’, ‘লাখো লাখো হাত জাগিয়ে আজিকে’।
নৃত্য ছিল ‘তীরহারা এই ঢেউয়ের সাগর’, ‘স্বাধীন স্বাধীন দিকে জাগছে বাঙালিরা’, ‘পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে’ গানের সঙ্গে। একক কণ্ঠে জাগরণের শিল্পী জান্নাত এ ফেরদৌসী ‘দেখ মা এবার দুয়ার খুলে’ এবং শহীদ কবির ‘অপমানে তুমি জ্বলে উঠেছিলে সেদিন বর্ণমালা’ পরিবেশন করেন। এ পর্বের সঞ্চালক ছিলেন মুর্শিদ আনোয়ার।
জাগরণের শিল্পীদের পর ছিল বিশিষ্ট শিল্পীদের একক ও আমন্ত্রিত সংগঠনের দলীয় পরিবেশনা। মিতা হক গেয়ে শোনান ‘যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে’, সাজেদ আকবর পরিবেশন করেন, ‘বুক বেঁধে তুই দাঁড়া দেখি’, সালমা আকবরের কণ্ঠে ছিল ‘যে তোমায় ছাড়ে ছাড়ুক’, লিলি ইসলাম পরিবেশন করেন ‘তীর হারা এই ঢেউয়ের সাগর পাড়ি দেব…’ এবং বিশ্বজিৎ রায় শোনান ‘হায় রে আমার সোনার বাংলা’। দলীয় পরিবেশনায় গীতাঞ্জলির শিল্পীদের কণ্ঠে ছিল ‘এবার তোর মরা গাঙ্গে’, ‘দুর্গমগিরি কান্তার মরু’। উত্তরায়ণ পরিবেশন করে ‘বাংলার জল’। আবৃত্তি করেন ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়, ঝর্ণা সরকার। পরে আরণ্যকের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পথনাটক আগুনের ডালপালা মঞ্চস্থ হয়।
বিকেলের অধিবেশন শুরু হয়েছিল চারটায়। প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি জাগরণ সংস্কৃতি চর্চা ও গবেষণা কেন্দ্র কর্তৃক অজিত রায় ও বিপুল ভট্টাচার্য্যের চিকিৎসার জন্য দেওয়া অর্থের চেক হস্তান্তর করেন ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন। তিনি বলেন, সংকটের কালে এসব গান জাতিকে পথ দেখিয়েছে, দুঃসময় অতিক্রমের সাহস জুগিয়েছে। বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আহমেদ আবু দোমা বলেন, বাংলালিংক বাঙালির হাজার বছরের পুরোনো ঐতিহ্য ও সংগ্রামের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এর চর্চা ও বিকাশে সহায়তা দিয়ে আসছে। তার পুরো বক্তব্য ছিল বাংলায়, যা উপস্থিত সবাইকে আলোড়িত করে। বক্তব্য দেন জাগরণের সম্পাদক মোস্তফা জাহিদ খান। পরে ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। জাগরণের শিল্পী ছাড়াও দলীয় সংগীত পরিবেশন করে ঋষিজ ও নিবেদন। আবৃত্তিতে ছিল সংবৃত ও মুক্তধারা। ছিল থিয়েটার আরামবাগের নাটক এবং বাংলাদেশ ও কলকাতার একক শিল্পীদের গান। আবদুল জব্বার, হায়দার হোসেন, সিরাজ বাউল, ভগীরথ মালো ছাড়াও জাগরণের গানে কণ্ঠ দেওয়া শিল্পীদের পরিবেশনা রাত নয়টা পর্যন্ত বিপুলসংখ্যক শ্রোতা প্রেরণাদীপ্ত এই অনুষ্ঠান উপভোগ করে।

জাগরণের অঙ্গীকার
 দেশাত্মবোধক গান ও গণসংগীত সংগ্রহ, তার প্রকৃত রচয়িতা, সুরকার ও প্রথম গায়নের ইতিহাস সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা।
 সংগৃহীত গণসংগীতের সঠিক গীতরূপ এবং সুর সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করে দক্ষ শিল্পীদের কণ্ঠে বাণীবদ্ধ করা।
 নতুন প্রজন্মকে গণসংগীতের ধারার সঙ্গে সম্পৃক্ত করা।
 পেশাদারি ভিত্তিতে গণসংগীতের চর্চা এবং দেশব্যাপী গণসংগীতের স্কোয়াড গঠন করা।
 উদীয়মান কণ্ঠশিল্পীদের গণসংগীতের ধারায় সম্পৃক্ত করা এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে গণসংগীতের চর্চা ও পরিবেশনের সুযোগ সৃষ্টি করা।
 গণসংগীতের সঙ্গে সম্পৃক্ত নিবেদিতপ্রাণ সুরকার, গীতিকার, কণ্ঠশিল্পী, যন্ত্রশিল্পী, সাংস্কৃতিক সংগঠক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনকে সম্মাননা প্রদান করা।
 জাগরণ সংস্কৃতি চর্চা ও গবেষণা কেন্দ্রকে গণসংগীত চর্চা ও পরিবেশনার একটি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা।
 সর্বোপরি গণসংগীত ছাড়াও অন্যান্য সংগীত, কবিতা, নৃত্য চর্চা ও পরিবেশনের মাধ্যমে সুস্থ সাংস্কৃতিক পরিবেশ গড়ে তোলা।

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, জানুয়ারী ০৪, ২০১০

Tags: , , , , , , , , , , , , , , , , ,

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>